কখনও কি এক মিনিট নিজের চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখেছেন কিনা কাহারো মিথ্যা গাইড লাইনে প্রভাবিত হয়ে আপনার সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে আপনি আদো কি সমস্যা সমাধান করতেছেন নাকী নতুন একটি সমস্যার জন্ম দিচ্ছেন নাকী দালাল পরিবারের ৪ লক্ষ গ্রাহকদেরকে সমস্যায় ফেলছেন?
দালাল প্লাসের সন্মানিত সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে স্বাগতম। এই ব্যতিক্রমধর্মী পোষ্টটি দেওয়ার একটাই কারন, গত কয়েক মাস যাবৎ বাংলাদেশের ৮-১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক কর্মকান্ডের কারনে পুরো দেশের ই-কমার্স যখন প্রশ্নবৃদ্ধ হয়েছিল তখন নিশ্চই আপনারা অবগত আছেন, দালাল প্লাস সীমিত পরিসরে লকডাউন থাকাকালীন সময়ে এবং কঠোর লকডাউন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে যতই নেতিবাচক কর্মকান্ড ঘটেছে তখনও দালাল প্লাস মাথা উচুঁকরে কেন্দ্রিয় কার্যালয় এবং ওয়্যার হাউস থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সকল নীতিমালা মেনে ডেলিভারি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসতেছিল। কিন্তু যখন দেশের ৮-১০ টি ই-কমার্সের নেতিবাচক কর্মকান্ডের কারনে তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে বিভিন্ন অভিযোগ আসা শুরু হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় তখন গ্রাহকদেরমনে ই-কর্মাস সম্পর্কে একটি অনাস্থার যায়গা তৈরি হবে এটাই স্বাভাবিক। আপনারা জানেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যে ৮-১০ টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল ঐ সকল ৮-১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দালাল প্লাস ছিল না। কিন্তু এই ৮-১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যখন আইনগত তদন্ত শুরু তখন গ্রাহকদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের দুশ্চিন্তার যায়গা থেকে দালাল প্লাসকে নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় এবং সেই দুশ্চিন্তার ধারাবাহিকতায় তারা তাদের অর্ডারকৃত পণ্যগুলোর ডেলিভারি টাইমলাইন না আসা সত্ত্বেও দালাল প্লাসের অফিসে এসে বিশৃঙ্খলামূলক পরিবেশ তৈরি করে। সেই সব প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে দালাল প্লাস তাদের ডেলিভারি ও রিফান্ড কার্যক্রম চালিয়ে যায়। কিন্তু একশ্রেনীর নেতিবাচক মানুৃষ যারা ই-কমার্সের ভাল চায় না এবং এই সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রমকে প্রশ্নবৃদ্ধ করতে চায় এবং পাশাপাশি যখন দেশের ৮-১০টি ই-কমার্স প্রশ্নবিদ্ধ হয় কেন দালাল প্লাস প্রশ্নবৃদ্ধ হচ্ছে না কেন দালাল প্লাস ধ্বংস হচ্ছে না এই প্রতিহিংসার কারনেও একশ্রেনীর মানুষ দালাল প্লাসের পিছনে লেগে যায় এবং দালাল প্লাসের ভাবমুর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করে তার পাশাপাশি দালাল প্লাস পালিয়ে যাবে এসব বলে দালাল প্লাসের নামে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর নিউজ প্রকাশ করে গ্রাহকদের মনে এক ধরনের উৎকন্ঠা তৈরি করে।
এ সকল কারনে দালাল প্লাস যখন তাদের কেন্দ্রিয় কার্যালয়ের অফিসিয়াল কার্যক্রম এবং ওয়্যার হাউজে ডেলিভারি কার্যক্রম পরিচালনা করার মত ১% পরিবেশ পাচ্ছিল না তখন কেন্দ্রিয় কার্যলয় ও ওয়্যার হাউজের পিজিক্যাল কার্যক্রম ২-৩ দিন বন্ধ রাখে কিন্তু ২-৩ দিন পর স্থানীয় প্রসাশনের পজেটিভ সহযোগীতা ও গ্রাহকদের সহযোগীতায় পুনরায় অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হয়। অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু করার পরের দিন থেকে পেমেন্ট গেটেওয়ে এর সাথে সমন্বয় করে প্রত্যেকদিন যে পরিমান চেক বাউন্স বা রিফান্ড সংক্রন্ত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব সেই পরিমান সমস্যা সমাধান করা শুরু করে।
দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ যখনই অত্যান্ত সুনাম ও সফলতার সহিত ডেলিভারি ও রিফান্ড কার্যক্রম শুরু করে ঠিক তখনই যারা দালাল প্লাসের ভাল চায় না, যারা চায় দালাল প্লাস বন্ধ হয়ে যাক, যারা চায় দালাল প্লাসের পরিণতিও হোক অন্য ৮-১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মত এবং যারা দালাল প্লাসের পজেটিভ কার্যক্রমকে মেনে নিতে পারে না তারা বিভিন্ন ফেইসবুক গ্রুপের মাধ্যমে এবং সেলাল গ্রুপের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন গ্রাহকদেরকে এসএমএস করে দালাল প্লাসের সন্মানিত গ্রাহক যারা রিফান্ড বা ডেলিভারি কিছুদিনের মধ্যে পাবে তাদেরকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করছে দালাল প্লাসের বিরুদ্ধে মামলা করতে। তাদের সেই ঘৃণিত কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত হয়ে, দালাল প্লাসের সন্মানিত গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিতে চায়, মামলা করলে কি সমস্যার সমাধান হবে?
গত কয়েক সাপ্তাহে যে কয়েকটি ই-কমার্সের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনিভাবে তাদের বিরুদ্ধে যে কার্যক্রমগুলো ঘটেছে, সেগুলো সম্পর্কে আমরা ও সন্মানিত গ্রাহক আপনারা অবগত আছেন। যদি কোন ই-কমার্সের বিরুদ্ধে কেউ একজন মামলা করে এবং সেই ই-কমার্সের সিইও বা কর্তৃপক্ষ যদি গ্রেফতার হয় তাহলে সমাধানটি কী হয়? উক্ত ই-কমার্সের সাথে জড়িত লক্ষধিক গ্রাহকদের ডেলিভারি কিংবা রিফান্ড পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে যায়। একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যখন কোন আইনি জটিলতার মধ্যে পড়ে যায় তখন উক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসায় সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে না এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকগনও তাদের রিফান্ড সংক্রন্ত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করতে পারে না।
দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ আপনাদের নিকট প্রশ্ন করতে চায়, আপনারা মামলা দিয়ে মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর অপেক্ষা করাটা ভাল হবে নাকী দালাল প্লাসকে সাপোর্ট করে দ্রুত আপনার ডেলিভারি বা রিফান্ড বুঝে নেওয়াটা ভাল হবে? এই প্রশ্নটি দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ আপনাদের বিবেকের উপর ছেড়ে দিতে চায়। দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ তার গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে বলতে চায়, যদি দালাল প্লাসের কোন সন্মানিত গ্রাহক মনে করেন যে মামলা দিয়ে সমস্যা সমাধান করবেন, কোন একজন গ্রাহকের ভুল সিদ্ধান্তের কারনে দালাল প্লাসের লক্ষাধীক গ্রাহকের ডেলিভারি বা রিফান্ড যদি অনিশ্চিয়তার মধ্য পড়ে যায় সেই দায়ভার দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ কখনও নিবে না।
দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে স্পর্ষ্টভাবে বলতে চায়, যদি কোন গ্রাহক রিফান্ড বা ডেলিভারি দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে তার পূর্বেই কোন আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নেন তবে উক্ত গ্রাহকের রিফান্ড বা ডেলিভারি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সমাধান হবে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন গ্রাহক সেই অর্ডারকৃত পণ্যের রিফান্ড বা ডেলিভারি পাবেন না কারন মামলা হওয়ার পর পরই তা চলে যায় বিজ্ঞ আদালতের একটি বিচারিক কাঠামোর মধ্যে। এই ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালত যে রায় দিবে দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ সেই রায়কে মাথা পেতে নিবে। এখন বিচার, বিবেচনা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার পুরো স্বাধীনতা আপনার। আপনাদের স্বাধীনতা, বিচার এবং সিদ্ধান্তের উপর সবকিছু নির্ভর করবে।
দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ প্রিয় গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে দৃঢ়ভাবে বলতে চায়, দালাল প্লাস ব্যবসা বান্ধব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। আপনারা সকলে অবগত আছেন, দালাল প্লাস হচ্ছে বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ড্রাসট্রিতে সবচেয়ে বড় আধুনিকমানের কর্পোরেট অফিস এবং সুসজ্জিত আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে ওয়্যার হাউস নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে। যেহেতু ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ধানমন্ডি প্রাইম লোকেশনে কেন্দ্রিয় কার্যালয় এবং সবচাইতে বড় মেগা ডেলিভারি জোন ওয়্যার হাউজ সহকারে সকল প্রকার সেটাআপমেন্টে একটি স্মাট বিনিয়োগের মাধ্যমে দালাল প্লাস যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর পর থেকে দ্রুত ডেলিভারি এবং বেষ্ট সার্ভিস যদি পূর্বে দালাল প্লাস প্রদান না করত তবে এত সীমিত সময়ের মধ্যে দালাল প্লাস এ পর্যায়ে আসতে পারত না। এই বিষয়টি একবার ভেবে দেখবেন। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে ভাল সার্ভিস দিয়ে বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ড্রাসট্রিতে নিজেদের স্থান দখল করে নেয় দালাল প্লাস।বর্তমানে আমাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু করার পর দিন থেকে নিয়মিত রিফান্ড ও ডেলিভারি কার্যক্রম আমাদের শতভাগ সক্ষমতা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছি। নতুন নীতিমালা ও পেমেন্ট সমন্বয়হীনতার কারনে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে সেই শূন্যস্থান তো একদিনে সমাধান হবে না। দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ চায় তাদের কেন্দ্রিয় কার্যলয় চালু রেখে প্রত্যেকদিন একটি সিরিয়াল মেন্টেইন করে পুরাতন রিফান্ড বা ডেলিভারি সংক্রান্ত সকল সমস্যার সমাধান আগমী এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে। এর মধ্যে যদি দালাল প্লাসকে সুষ্ঠভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে না দেওয়া হয় তাহলে দালাল প্লাসের রিফান্ড বা ডেলিভারি সংক্রন্ত কার্যবলী সম্পন্ন করার সময় আরো পিছিয়ে পড়বে। তাই আপনি কী করেছেন বা কী করতে চাচ্ছেন তা আপনার বিবেককে প্রশ্ন করে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে দালাল প্লাস কর্তৃপক্ষ মনে করে। মনে রাখবেন যদি বাংলাদেশে ই-কমার্স ইন্ড্রাসট্রি বেচেঁ থাকে তবে দালাল প্লাস বেচেঁ থাকবে আর দালাল প্লাস বেচেঁ থাকলে প্রিয় গ্রাহক আপনারাও বেচেঁ থাকবেন। দালাল প্লাসকে বাচিঁয়ে রাখুন, কোন কুচক্রী মহলের ইন্দনে দালাল প্লাসকে ধ্বংশ হতে দিবেন না।
Post a Comment