কবি-গুলজার হোসেন গরিব★★★
ফোনে আমার শরীরের স্মৃতিচারণ করে
কোথায় তিল আছে, কোন অঙ্গ কেমন ইত্যাদি
প্রতিটি শব্দ উচ্চারণ করে গ্রাম্যতা আর অশ্লীলতায়
জানি না কীভাবে নাম্বার পেলো আমার।
তার সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে ক'বছর হলো
এখন আমি অন্যের স্ত্রী, সেও বউ এনেছে ঘরে
ওর সাথে প্রথমে প্রেম তারপর বিয়ে
বিয়ে বাবা-মায়ের অ-মতে করেছিলাম
তখন বুঝিনি সে আমাকে, আমার মনকে ভালোবাসেনি
সে শুধু চেয়েছিলো দেহকে ভোগ করতে, দাসী বানাতে।
একটা অশ্লীল বর্বর মানুষকে প্রথমে চিনতে পারিনি
যে প্রতারক বিয়ের আগে সময় দিতো
অপেক্ষা করতো ঘন্টার পর ঘন্টা।
যাকে আমি পবিত্র বলে মনে করতাম
লম্পট প্রতিদিনই অপবিত্র হয়ে আসতো ঘরে।
যে হাতে সে ফুল দিতো
সে হাতেই আঘাত করেছে যৌতুকের জন্য
যে মুখে সে মিষ্টি কথা বলতো
সে মুখে অশ্লীল শব্দ ছাড়া কোনো বাক্য বেরোয়নি তার।
সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, কিন্তু মূর্খ
অনেক সার্টিফিকেট দিয়ে কী হবে?
যার মধ্যে মানবিকতা নেই, রাষ্ট্রিয় চেতনা নেই।
যার বিবেক লোভি, নোংরামোর আঁতুড়ঘর
এরকম সব গুণ ওর আছে
আর এজন্যই ডিভোর্স দিয়ে নিজেকে মুক্ত করেছি নিজে।
এখন ভালো আছি
হয় তো ইনার শিক্ষার সার্টিফিকেট নেই
ইনার আছে একটি বিশাল মানবিক মন
মানুষকে মূল্যায়ন করার সুন্দর বিবেক।
প্রাক্তন স্বামী ফোন দেয় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম্বারে
জানান দেয় সে এখনো অসভ্য ইতরই, মূর্খ বদমাইশ।
Post a Comment