মওলানা ভাসানীর সহধর্মিণী আলেমা খাতুন ভাসানীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন সংস্করণ-
মওলানা ভাসানীর সহধর্মিণী আলেমা খাতুন ভাসানীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
বগুড়া জেলার পাঁচবিবির বীরনগরের জমিদার-কন্যা ছিলেন তিনি। তাঁর পিতা সামীর উদ্দীন তালুকদার পাঁচবিবির বীরনগরের ২৪ পরগনা ৪০ মৌজার জমিদার ছিলেন। ব্রিটিশ আমলে, বিশের দশকের মাঝামাঝিতে মওলানা ভাসানীর বিরুদ্ধে বৃটিশরা হুলিয়া জারি করলে তাদের ফাঁকি দিয়ে ‘মুনশি’ সেজে আলেমা খাতুনের পিতার কাছে মওলানা ভাসানী থাকতে থাকেন এবং তাঁর পুত্র-কন্যাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেন। কিন্তু রতনে যেমন রতন চিনে নেন, তাঁর পিতাও সেদিনের আবদুল হামিদ খাঁ-কে চিনেছিলেন এবং তাঁর সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন নিজ কন্যা আলেমা খাতুনের। 
আনুমানিক ১৯২৫ সালে তাঁদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জমিদার পিতার তরফ থেকে আলেমা খাতুন পেয়েছিলেন প্রায় ৬০ বিঘা জমি। পাঁচবিবি থেকে ৩/৪ কিলোমিটার পূর্বে মহিপুর গ্রামের সেই জমিতে মওলানা ভাসানী গড়ে তুলেন তাঁর ‘হক্কুল এবাদ মিশনের’ স্কুল-কলেজ-লাইব্রেরিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ।  
মমতাময়ী এই মানুষটির আতিথ্য গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, উঠতি নেতা থেকে শুরু করে গ্রামবাংলার কৃষক-শ্রমিক শ্রেণী। এমন অনেক স্মৃতিকথা আছে যেখানে তিনি হয়তো মূখ্য বিষয় নন, কিন্তু তাঁর আন্তরিকতা-আতিথিয়তার কথা আপনিই আলোচনায় উঠে এসেছে। উঠে এসেছে এই জমিদার কন্যার অতি সাধারণ জীবনযাপনের কথা।  বিদ্রোহী মওলানার জীবনযাত্রা তো আর স্বাভাবিক ছিল না। তিনি বিশ্বনেতা, থাকেন আবার কুঁড়েঘরে। তাঁর কাছে দেনদরবার করতে, পরামর্শ চাইতে দেশ-বিদেশ থেকে মানুষ আসে, অথচ তাঁর বিচরণ সর্বহারাদের মাঝে। তাঁর শিক্ষা পেয়ে, তাঁকে ওসিলা করে বহু নেতা-নেত্রী বিভিন্ন দলে ভিড়েছেন, ক্ষমতা পেয়েছেন, অতঃপর তাঁর অবদান ভুলে থেকেছেন। বছরের প্রতিটি দিন মজলুম জননেতা এই মানুষটি কাটিয়েছেন আন্দোলন করে, কিছুদিন পর পর আবার জেলেও থাকতে হত। তবু ভাসানী তো ভাসানীই। কিন্তু মহাবিদ্রোহী মহানায়ক ভাসানীকে ঘিরে যার জীবনের সবকিছু ছিল তিনি আলেমা খাতুন ভাসানী। জীবনসঙ্গীর এমন জীবনযাত্রায় যে জমিদার-কন্যা নিজেকে রাঙ্গিয়ে নিয়েছিলেন তিনি আলেমা খাতুন ভাসানী। এই মানুষটিই তাঁর সমস্ত ভালোবাসা উজাড় করে দিয়ে মওলানা ভাসানীর সঙ্গী ছিলেন সকল সময়ে। 
মওলানা ভাসানীর মাজার শরীফের পাশেই তিনি সমাহিত। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রী হলের নামকরণ করা হয়েছে এই মহীয়সী নারীর সম্মানে। 
তাঁর মৃত্যুদিনে জ্ঞাপন করি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ।আজ ৪ অক্টোবর, মওলানা ভাসানীর সহধর্মিণী শ্রদ্ধেয়া বেগম আলেমা খাতুন ভাসানীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। 
বগুড়া জেলার পাঁচবিবির বীরনগরের জমিদার-কন্যা ছিলেন তিনি। তাঁর পিতা সামীর উদ্দীন তালুকদার পাঁচবিবির বীরনগরের ২৪ পরগনা ৪০ মৌজার জমিদার ছিলেন। ব্রিটিশ আমলে, বিশের দশকের মাঝামাঝিতে মওলানা ভাসানীর বিরুদ্ধে বৃটিশরা হুলিয়া জারি করলে তাদের ফাঁকি দিয়ে ‘মুনশি’ সেজে আলেমা খাতুনের পিতার কাছে মওলানা ভাসানী থাকতে থাকেন এবং তাঁর পুত্র-কন্যাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেন। কিন্তু রতনে যেমন রতন চিনে নেন, তাঁর পিতাও সেদিনের আবদুল হামিদ খাঁ-কে চিনেছিলেন এবং তাঁর সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন নিজ কন্যা আলেমা খাতুনের। 
আনুমানিক ১৯২৫ সালে তাঁদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জমিদার পিতার তরফ থেকে আলেমা খাতুন পেয়েছিলেন প্রায় ৬০ বিঘা জমি। পাঁচবিবি থেকে ৩/৪ কিলোমিটার পূর্বে মহিপুর গ্রামের সেই জমিতে মওলানা ভাসানী গড়ে তুলেন তাঁর ‘হক্কুল এবাদ মিশনের’ স্কুল-কলেজ-লাইব্রেরিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ।  
মমতাময়ী এই মানুষটির আতিথ্য গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, উঠতি নেতা থেকে শুরু করে গ্রামবাংলার কৃষক-শ্রমিক শ্রেণী। এমন অনেক স্মৃতিকথা আছে যেখানে তিনি হয়তো মূখ্য বিষয় নন, কিন্তু তাঁর আন্তরিকতা-আতিথিয়তার কথা আপনিই আলোচনায় উঠে এসেছে। উঠে এসেছে এই জমিদার কন্যার অতি সাধারণ জীবনযাপনের কথা।  বিদ্রোহী মওলানার জীবনযাত্রা তো আর স্বাভাবিক ছিল না। তিনি বিশ্বনেতা, থাকেন আবার কুঁড়েঘরে। তাঁর কাছে দেনদরবার করতে, পরামর্শ চাইতে দেশ-বিদেশ থেকে মানুষ আসে, অথচ তাঁর বিচরণ সর্বহারাদের মাঝে। তাঁর শিক্ষা পেয়ে, তাঁকে ওসিলা করে বহু নেতা-নেত্রী বিভিন্ন দলে ভিড়েছেন, ক্ষমতা পেয়েছেন, অতঃপর তাঁর অবদান ভুলে থেকেছেন। বছরের প্রতিটি দিন মজলুম জননেতা এই মানুষটি কাটিয়েছেন আন্দোলন করে, কিছুদিন পর পর আবার জেলেও থাকতে হত। তবু ভাসানী তো ভাসানীই। কিন্তু মহাবিদ্রোহী মহানায়ক ভাসানীকে ঘিরে যার জীবনের সবকিছু ছিল তিনি আলেমা খাতুন ভাসানী। জীবনসঙ্গীর এমন জীবনযাত্রায় যে জমিদার-কন্যা নিজেকে রাঙ্গিয়ে নিয়েছিলেন তিনি আলেমা খাতুন ভাসানী। এই মানুষটিই তাঁর সমস্ত ভালোবাসা উজাড় করে দিয়ে মওলানা ভাসানীর সঙ্গী ছিলেন সকল সময়ে। 
মওলানা ভাসানীর মাজার শরীফের পাশেই তিনি সমাহিত। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রী হলের নামকরণ করা হয়েছে এই মহীয়সী নারীর সম্মানে। 
তাঁর মৃত্যুদিনে জ্ঞাপন করি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলী ।
সৃত্র -Maulan Vashani Facebook Page 

Post a Comment

Previous Post Next Post