বিউটারেট সিরাপের উপকারীতা |বিউটারেট সিরাপ/টেবলেট খাওয়ার নিয়ম |বিউটারেট সিরাপ খেলে কি ক্ষতি হয়, মৃল্য কত? কফ নিরোধে নির্দেশিত।

বিউটারেট
 বিউটামিরেট সাইট্রেট বিপি

বিবরণ: বিউটামিরেট সাইড্রেট কেন্দ্রীয়ভাবে কার্যকরী কফ ওষুষের অন্তর্ভুক্ত।

কার্যপদ্ধতি: বিউটায়েট এক্সপেক্টোরেক্ট, মৃদু ব্রোকোডাইলেটিং এবং এন্টি-ইনফ্লামেটই ক্রিয়া প্রদান করে। বিউটামিরেট সাইট্রেট স্পাইরোমেটি ইনজের এবং রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। বিউটামিরেট সাইট্রেট নিরাপদ এবং নন-সিডেটিভ যা রাসায়নিকভাবে বা ফার্মাকোলজিক্যালি অপিয়াম অ্যালকালয়েডের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। বিউটামিরেট সাইট্রেট এর বিপাকীয় দুধোর ও কফ নিরোধক ক্ষমতা আছে। নিউটারেট করা কমাতেও সহায়তা করে।

অষুধের উপর শরীরের ক্রিয়া (ফার্মাকোকাইনেটিক্স):- বিউটারেট মুখে সেবন করার পর দ্রুত এবং সম্পূর্ণ শোষিত হয়। সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছাতে ৯ ঘণ্টা সময় লাগে। বিউটারেট প্রধানত প্রোটিনের সাথে বন্ধন গড়ে তোলে এবং রক্তরস থেকে নির্গমণের অর্ধায়ু ১৩ ঘন্টার মত।

উপাদান: বিউটারেটও ৫০ মিগ্রা ট্যাবলেট; প্রতিটি সাসটেইনছ রিলিজ ট্যাবলেটে আছে বিউটামিরেট সাইট্রেট যিপি ৫০ মিয়া। বিউটারেটও ১০০ মিলি সিরাপ: প্রতি ৫ মিলি সিরাপে রয়েছে বিউটামিরেট সাইট্রেট বিপি ৭.৫ মিগ্রা

বিউটারেটী ১৫ মিলি পেডিয়াট্রিক ড্রপস; প্রতি ১ মিলি পেডিয়াট্রিক ড্রপন এ রয়েছে বিউটামিরেট সাইট্রেট বিশি ৫ মিগ্রা

নির্দেশনা: বিউটারেটও যে কোন কারণে সৃষ্ট তাৎক্ষণিক কফ, শল্য চিকিৎসার ও ব্রোংকোস্কোপির আগের ও পরের কফ এবং হুপিং কফ নিরোধে নির্দেশিত।

মাত্রা ও প্রয়োগ: বিউটারেট” ৫০ মিগ্রা ট্যাবলেট: প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য: ২ থেকে ৩টি ট্যাবলেট ৮ ঘন্টা থেকে ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে। ১২ বছরের বেশি কিশোর-কিশোরীদের জন্য; ১ থেকে ২টি ট্যাবলেট প্রত্যহ

বিউটারেটও ১০০ মিলি সিরাপ: প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ১৫ মিলি করে দৈনিক ৪ বার। কিশোর-কিশোরীদের জন্য; ১৫ মিলি করে দৈনিক ৩ বার।

শিশু ৬-১২ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ১০ মিলি করে দৈনিক ৩ বার। ৩-৬ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ৫ মিলি করে দৈনিক ৩ বার।

বিউটারেটও ১৫ মিলি পেডিয়াট্রিক ড্রপস; শিশু ১-৩ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ১৫ ড্রপস করে (০.৭৫ মিলি) করে দৈনিক ৪ বার। শিশু ২ মাস থেকে ১ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ১০ ড্রপস (০.০ মিলি) দৈনিক ৪ বার।।

বিরুদ্ধ ব্যবহার (যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না): বিউটামিনেট সাইড্রেট এর যে কোন উপাদানের প্রতি অভিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: বিউটামিরেট সাইট্রেট খুবই সহনীয়। কখনও কখনও র্যাশ, বমি-বমি ভাব, ডায়রিয়া এবং মাথা ঘোরানো এর তথ্য পাওয়া গেছে।

মাত্রা কমালে বা ঔষুধ সেবন বন্ধ করলে এ সকল প্রতিক্রিয়া দূরীভূত হয়।

শর্তাবস্থা ও অন্যদানকালে ব্যবহার: বিউটামিরেট সাইট্রেট গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস ব্যবহার করা যাবে না। গর্ভকালীন বাকি সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেহেতু মাতৃমুদ্ধে কার্যকরী উপাদানের নিঃসরণের উপর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। সেহেতু সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহারে প্রত্যাশিত সুবিধা সম্ভাব্য ঝুঁকি হতে অধিকতর বিবেচিত হলে স্তন্যদানকালে ব্যবহার করা যেতে পারে।

মাত্রাধিকা; অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে বমি-বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, ঘুম ঘুম ভাব এবং নিম্নবকভাপ হতে পারে। প্রচলিত জরুরী ব্যবস্থাদির মধ্যে এক্টিভেটেড চারকোল, ল্যাক্সেটিভ স্যালাইন দিতে হবে এবং উপসর্গ দূর করার চিকিৎসা দিতে হবে।

সংরক্ষণ; আলো থেকে দূরে, ঠাম্মা ও তদস্থানে রাখুন।

উপস্থাপনা: বিউটারেটট ৫০ মিয়া ট্যাবলেট: প্রতি কার্টনে ব্লিস্টার প্যাকে রয়েছে ১০০ ট্যাবলেট। বিউটারেট ১০০ মিলি সিরাপ: প্রতি কার্টনে রয়েছে ১০০ মিলি বিউটারেট" সিরাপ বোতল ও পরিমাপক কাপ। বিউটাৱেট ১০ মিলি পেডিয়াট্রিক ব্লগস: প্রতি কার্টনে রয়েছে ১৫ মিলি বিউটারেট পেডিয়াট্রিক ড্রপস বোতল ও ফ্লপার।
মৃল্য-৮০টাকা

Post a Comment

Previous Post Next Post